তিন প্রেমিককে নিয়ে আরেক প্রেমিককে হত্যা করলেন গৃহবধূ!

28
নাটোর: এক সঙ্গে চার জনের সাথেই পরকীয় চালিয়ে যাচ্ছিলেন নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গৃহবধূ আরিফা বেগম। গত ১৫ জুন এক পরকীয় প্রেমিক মোবারক হোসেন খুন হন। ওই খুনের তদন্তে নেমে আরিফা বেগমের সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ। নিহত মোবারক বড়াইগ্রাম উপজেলার ইকোরি গ্রামের মৃত খয়ের উদ্দিনের ছেলে। তার কথিত প্রেমিকা আরিফা খাতুন সোনাবাজুর কাচু খার স্ত্রী। এনিয়ে নিহতের স্ত্রী রানী বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ তদন্তে নামে। ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়ে আরিফা বেগমকে গ্রেফতার করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আরিফা এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অবগত বলে স্বীকার করেন এবং অপর তিনজন প্রেমিকের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা জানান। পরে পুলিশ ওই তিনজনকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন- সোনাবাজু গ্রামের ইমরুল প্রামাণিকের ছেলে রশিদ প্রামাণিক, একই গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে জিহাদ আলী এবং ইকোরি গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে আসাদুল ইসলাম।শুক্রবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সামনে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি এ তথ্য জানিয়েছেন নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা। পুলিশ সুপার জানান, এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড ছিলেন আরিফা। তিনি নিহত মোবারকসহ ৪ জনের সাথেই অবৈধ মেলামেশা করতেন ও তাদের কাছে থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিতেন। মোবারক ঠিকমত  আরিফাকে টাকা না দেওয়া এবং তিনিসহ অন্যদের সাথে আরিফার সম্পর্কের কথা ফাঁস করে দেন। এতে আরিফা ক্ষুদ্ধ হয় এবং অপর তিন প্রেমিককে নিয়ে উপযুক্ত শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করে।ঘটনার দিন মোবারক গরু চড়াতে গেলে আরিফা বেগম শারীরিক মেলামেশার প্রলোভন দিয়ে মোবারককে পাটক্ষেতে ডেকে নিয়ে যান। এরপর কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মোবারককে হত্যা করেন এবং এরপর স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে থাকেন। পুলিশ সুপার আরো জানান, হত্যার পরে আসামিরা মোবাইল ফোনে কোনরূপ যোগাযোগ করেননি। কিন্তু পারপার্শ্বিকতা বিবেচনায় পুলিশ বিচক্ষণতার সাথে আরিফাকে টার্গেট করে আটক করে।

নাটোর: এক সঙ্গে চার জনের সাথেই পরকীয় চালিয়ে যাচ্ছিলেন নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গৃহবধূ আরিফা বেগম।

গত ১৫ জুন এক পরকীয় প্রেমিক মোবারক হোসেন খুন হন। ওই খুনের তদন্তে নেমে আরিফা বেগমের সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ। 

নিহত মোবারক বড়াইগ্রাম উপজেলার ইকোরি গ্রামের মৃত খয়ের উদ্দিনের ছেলে।  তার কথিত প্রেমিকা আরিফা খাতুন সোনাবাজুর কাচু খার স্ত্রী।

এনিয়ে নিহতের স্ত্রী রানী বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন। 

এরপর পুলিশ তদন্তে নামে। ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়ে আরিফা বেগমকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আরিফা এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অবগত বলে স্বীকার করেন এবং অপর তিনজন প্রেমিকের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা জানান।

পরে পুলিশ ওই তিনজনকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন- সোনাবাজু গ্রামের ইমরুল প্রামাণিকের ছেলে রশিদ প্রামাণিক, একই গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে জিহাদ আলী এবং ইকোরি গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে আসাদুল ইসলাম।

শুক্রবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সামনে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি এ তথ্য জানিয়েছেন নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা।

পুলিশ সুপার জানান, এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড ছিলেন আরিফা। তিনি নিহত মোবারকসহ ৪ জনের সাথেই অবৈধ মেলামেশা করতেন ও তাদের কাছে থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিতেন।

মোবারক ঠিকমত আরিফাকে টাকা না দেওয়া এবং তিনিসহ অন্যদের সাথে আরিফার সম্পর্কের কথা ফাঁস করে দেন। এতে আরিফা ক্ষুদ্ধ হয় এবং অপর তিন প্রেমিককে নিয়ে উপযুক্ত শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করে।

ঘটনার দিন মোবারক গরু চড়াতে গেলে আরিফা বেগম শারীরিক মেলামেশার প্রলোভন দিয়ে মোবারককে পাটক্ষেতে ডেকে নিয়ে যান।

এরপর কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মোবারককে হত্যা করেন এবং এরপর স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে থাকেন।

পুলিশ সুপার আরো জানান, হত্যার পরে আসামিরা মোবাইল ফোনে কোনরূপ যোগাযোগ করেননি। কিন্তু পারপার্শ্বিকতা বিবেচনায় পুলিশ বিচক্ষণতার সাথে আরিফাকে টার্গেট করে আটক করে।
 

আপনার মন্তব্য