মাদক সেবন-জুয়া খেলে ৬ আরএমপি সদস্য বরখাস্ত 

4
আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার: মাদক সেবন ও জুয়া খেলে বরখাস্ত হয়েছে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) ছয় সদস্য। বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক তাদের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেন।

বুধবার (৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজশাহী কলেজ ছাত্রাবাস সংলগ্ন একটি আবাসিক হোটেল থেকে ওই ছয় জনকে হাতেনাতে আটক করে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ। 

অভিযুক্ত ওই ছয় পুলিশ সদস্য হলেন-সহকারি উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল বারেক (বিপি-৮১০২০২২৪১৩), এএসআই মিজানুর রহমান (বিপি-৮৪০৪০৪৬৮৭৭), নায়েক আফজাল সরকার (বিপি-৮৪০৩০৭৩১৪৫), কনস্টেবল ফরহাদ হোসেন (বিপি-৮৫০৪১০০৩৬০), কনস্টেবল আবদুস সালাম (বিপি-৭৭৯৬০১৪০৫৩) এবং কনস্টেবল সাহেদ আলী (বিপি-৯৮১৮২০৮৭৪৬)।

এদের মধ্যে এএসআই আবদুল বারেক, এএসআই মিজানুর রহমান ও নায়েক আফজাল সরকার আরএমপির এসএএফ শাখায় কর্মরত।

এছাড়া কনস্টেবল ফরহাদ হোসেন এমটি শাখায়, কনস্টেবল আবদুস সালাম মেট্রোকোর্ট এবং  কনস্টেবল সাহেদ আলী পিওএম বিভাগে কর্মরত ছিলেন। আটকের রাতেই তাদের পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়। এখন সেখানেই তারা সংযুক্ত রয়েছেন।

আরএমপি কমিশনার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বুধবার দিবাগত রাতে নগরীর শেখপাড়া এলাকায় ‘বিয়ের আমন্ত্রণ’ নামের একটি আবাসিক হোটেলের দোতলার ২০২ নম্বর কক্ষে টাকা দিয়ে তাসের মাধ্যমে জুয়া খেলাসহ মাদক সেবন করেন। রাত ১টা ২২ মিনিটে বোয়ালিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানা বিষয়টি অবগত হয়ে সেখানে যান।

এ সময় তিনি টাকা দিয়ে তাসের মাধ্যমে জুয়া খেলাসহ মাদক সেবনের সত্যতা পান। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এসআই মাসুদ রানা ওই ছয় পুলিশ সদস্যকে আরএমপির আরআই মাহফুজুর রহমান ও আবু বক্কর সিদ্দিকের কাছে জিম্মানামার মাধ্যমে হস্তান্তর করেন।

পুলিশ কমিশনারের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, পুলিশ সদস্যদের এমন কার্যকলাপ বিভাগীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী ও অসাদচরণের সামিল। পিআরবি রুলস ৮৮০ মোতাবেক তাদের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্তকালীন তারা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন।

আপনার মন্তব্য