রাজি নন স্বামী, তবুও শপিংয়ে যাবেন যেভাবে

20
শপিংএ অনিহা স্বামীর

নারী ডেস্ক: নারীদের সঙ্গে কেনাকাটা করতে যেতে পুরুষদের মধ্যে নানা অনীহা দেখা যায়। নারীদের পাল্লায় পড়ে শপিংয়েই পুরো দিন নষ্ট হয় বলে পুরুষেরা প্রায়ই অভিযোগ করে থাকেন। এ নিয়ে কম হাস্যরসও হয় না।

কিন্তু ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিস থেকে শুরু করে নানা কেনাকাটার জন্য নারীর সঙ্গে তো যেতেই হয় পুরুষের। সব কিছু নারী একা সামলাবে সেটি কী করে হয়!

তবে অনেক নারীদের ভালো লাগে হাত খুলে কেনাকাটা করতে। যেটিই পছন্দ হয় সেটিই কিনে ফেলতে চান তারা। ঘুরে ঘুরে সময়ক্ষেপণ তো হয়ই, গচ্চা যায় অনেক টাকাও-এর জন্য স্বামীরা নারীদের সঙ্গে শপিংয়ে যেতে চান না।

যদিও সব নারীদের স্বভাব এমনটি নয়। পুরুষদেরও অনেকে এমনটি করে থাকেন। কিন্তু কেনাকাটায় স্বামীর সঙ্গে কোন নারীই না চায়। শপিং ছাড়াও ঘুরাঘুরি-পুরা সময়টা উপভোগ্য করে তুলতে স্বামীকে সঙ্গে করে নিতে চান তারা।

এ ক্ষেত্রে স্বামী অনিহা দেখালে কী করবেন? কীভাবে সঙ্গে করে তাকে শপিংয়ে যেতে রাজি করাবেন? লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন ফেমিনার একটি প্রতিবেদন অবলম্বনে এ ব্যাপারে কিছু পরামর্শ জেনে নিন।

শুধু নিজের জিনিস কেনা নয়

স্বামীকে নিয়ে শপিংয়ে গেলেন, কিন্তু শুধু নিজের কেনাকাটাই করলেন, এটা কিন্তু অনেকটা স্বার্থপরতা হয়ে যায়। নিজের দিকেই খেয়াল রাখলে হবে না, তার কী লাগবে সেটাও বুঝতে হবে। স্বামীর কী কী লাগবে সেটা জিজ্ঞেস করে নিন। তার জিনিসপত্র কেনাতেও সময় দিন।

মাঝেমাঝে নিন বিরতি 

একটানা ঘোরাঘুরি করলে একঘেয়েমি, বিরক্তি লাগারই কথা। আপনার না আসলেও স্বামীর এমনটা লাগতে পারে। অনেকক্ষণ ধরে কেনাকাটার পরিকল্পনা থাকলে মাঝেমাঝে রেস্তোরাঁ, কফিশপে বিরতি নিয়ে চাঙা হয়ে নিন। এতে নিজেরও ভালো লাগবে সেইসঙ্গে স্বামীর বিরক্তিভাবও কেটে যাবে। 

কেনাকাটায় পরামর্শ

কী কেনাকাটা করছেন বা পছন্দ-অপছন্দের ব্যাপারেও স্বামী থেকেও মত নিন। তার পছন্দকেও গুরুত্ব দিন। কেনাকাটায় তাকে সম্পৃক্ত করলে তিনিও ব্যস্ত সময় কাটাবেন। কখনো মনে হবে না, আপনার সঙ্গে শপিংয়ে গিয়ে তার সময় নষ্ট হয়েছে।

দিতে পারেন উপহার

সাংসারিক বা নিজের কেনাকাটা শেষে স্বামী কোনো কিছু উপহার দিয়ে চমকে দিতে পারেন। আগ থেকে পরিকল্পনা করে রাখলেন, তাকে কী জিনিস দেয়া যেতে পারে, যেটি পেলে তিনি খুশি হবেন। 

শপিং ব্যাগ ভাগ করে নিন

কেনাকাটা করার পর সব শপিং ব্যাগ বা প্যাকেট স্বামীকে গছিয়ে দেবেন না। হালকা বা ভারি যা-ই ওজন হোক-দুইজনেই সেগুলো ভাগ করে নিন। সব প্যাকেট তাকে ধরিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তিনি বিরক্ত হতে পারেন।

ফিরুন আনন্দ নিয়ে

টানা কয়েক ঘণ্টা কেনাকাটা শেষে স্বাভাবিকভাবেই ক্লান্ত লাগতে পারে। তবে স্বামীকে নিয়ে শপিংয়ে যাওয়ার আনন্দটা ধরে রাখার চেষ্টা করুন শেষ পর্যন্ত। রিক্সা করে ঘুরতে ঘুরতে বাসায় ফিরতে পারেন।

দুইজনে মিলে খেতে পারেন আইসক্রিম কিংবা পপকর্ন। শপিংমলে সিনেমা হল থাকলে ফেরার আগে দেখে নিতে পারেন কোনো সিনেমাও। তবে সে ক্ষেত্রে দুইজনের সময় নিয়েই বের হতে হবে আপনাদের।

আপনার মন্তব্য