শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর যৌনপল্লীতে বিক্রির চেষ্টা

9
বাসের মধ্যে ধর্ষণের শিকার নারী, বাসশ্রমিক আটক

দেশজুড়ে ডেস্ক: রাজবাড়ীর কালুখালীতে চাচাতো দুলাভাইয়ের (২৭) বিরুদ্ধে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রি চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক ও ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৯ জানুয়ারি) সকালে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম মাসুদ ফকির। তিনি কালুখালী উপজেলার দূর্গাপুর এলাকার আব্দুল জলিল ফকিরের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভ‌ুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর সঙ্গে কালুখালীর সানি নামের এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ৭ জানুয়ারি রাতে স্কুলছাত্রীর চাচাতো দুলাভাই মাসুদ ফকির তার বাড়িতে গিয়ে সানির সঙ্গে দেখা করিয়ে দেবার কথা বলে কালুখালী রেলওয়ে স্টেশনের পাশের একটি বাড়িতে ডেকে নেন। পরে ওই বাড়ির একটি রুমে আটকিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

পরদিন ৮ জানুয়ারি সকালে বলেন, সানি গোয়ালন্দ ঘাট (দৌলতদিয়া) রেলওয়ে স্টেশনে আছেন। তার কথামতো দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর এক নম্বর গেটের সামনে গেলে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তি এসে মাসুদ ফকিরের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তারা মাসুদ ফকিরকে কিছু টাকা দেন। পরবর্তীতে স্কুলছাত্রীকে নিয়ে যৌনপল্লীর ভেতরে যান।

কিছু দূর যাওয়ার পর পল্লীর মেয়েদের দেখে স্কুলছাত্রীর সন্দেহ হয় এবং তখন তিনি ভেতরে যেতে আপত্তি করেন। তাকে জোরপূর্বক ভেতরে নেয়ার চেষ্টা করলে স্কুুলছাত্রী চিৎকার করেন। তখন স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার ও মাসুদ ফকিরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কালুখালীর এক স্কুলছাত্রীকে কৌশলে তার চাচাতো দুলাভাই বাড়ি থেকে নিয়ে এসে ধর্ষণ করে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রির চেষ্টা করেন।

সে সময় স্থানীয় জনগণ ওই ব্যক্তিকে আটক ও ছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশে দেন। পরবর্তীতে এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। ঘটনার কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

আপনার মন্তব্য