ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান

প্রিয় দেশ ডেস্ক: সিআইডির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেছেন, চিত্রনায়িকা পরীমণি, পিয়াসা ও মৌয়ের মামলায় আমরা বেশ কয়েকজনকে ডেকেছি, আরও বিভিন্নজনকে ডাকব। তবে মিডিয়ায় আগেই তাদের নাম নিশ্চিত না হয়ে প্রচার করা উচিত নয়। 
 

মঙ্গলবার সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। 
 

সিআইডি প্রধান বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকজনকে ডেকেছি। যাদের ডাকব না আপনারা মনে করবেন এসব মামলার সঙ্গে আপনাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।’
 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অভিযুক্ত সবার বাসায় অভিযান চালিয়েছি। ৩টা জিপ, একটা বিএমডব্লিউ, একটা মাজদা এবং একটা ফেরারি গাড়ি জব্দ করেছি। মোবাইল জব্দ করেছি৷ আমরা চেষ্টা করব নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সবগুলো মামলার তদন্ত শেষ করতে।

তবে অনলাইন, পত্রিকা ও সোস্যাল মিডিয়ায় এসবের সঙ্গে জড়িত অনেকের নাম এসেছে। এরকম খণ্ডচিত্র এলে অনেকের সম্মানহানি হয়। আমরা তদন্ত করছি, আমাদের সময় দেন, তদন্ত শেষে সব জানানো হবে।’

সিআইডি প্রধান বলেন, ‘আপনারা জানেন সম্প্রতি ঢাকার বেশকিছু জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সেখানে থেকে বেশকিছু মালামাল জব্দসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। এই সংক্রান্ত মোট ১৫টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে সিআইডিতে তদন্তাধীন রয়েছে ৮টি মামলা।

এসব মামলায় মোট ১০ জন আসামি রয়েছেন, যার মধ্যে ৮ জন এখন আমাদের হেফাজতে রয়েছে। দুই জন অন্য মামলায় রিমান্ড আছেন। তাদের রিমান্ড শেষে আমাদের জেফাজতে আনা হবে।

এই ৮টি মামলায় আসামিরা আমাদের কাছে রিমান্ডে ছিল। কিন্তু আরও জিজ্ঞাসাবাদ থাকায় তাদের আজ (মঙ্গলবার) আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করলে তা মঞ্জুর হয়।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জব্দ হওয়া ডিভাইসগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা শুরু করেছি। যেসব লিকার (মদ) পাওয়া গেছে সেগুলোর রাসায়নিক পরীক্ষা চলছে। যারা এতদিন রিমান্ডে ছিল তাদের আমরা ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। বিভিন্ন তথ্য পেয়েছি। আমরা আশা করছি, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে পারব।’

মাদক সংক্রান্ত অভিযোগ ছাড়া পরীমণিসহ বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো অভিযোগ আছে কি-না এমন প্রশ্নে সিআইডি প্রধান বলেন, ‘তদন্তের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু নীতিমালা আছে, আমরা সেই বিষয়গুলো সামনে রেখেই এগোচ্ছি।

আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আমরা বুঝতে পারবো মামলা কোন দিকে যাবে। আমাদের তদন্ত একদম পরিষ্কারভাবে চলছে, আগে থেকে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়কে মাথায় রেখে আমরা তদন্ত করিনি।

যেহেতু আসামিদের কাছ থেকে নানা রকম মালামাল জব্দ করা হয়েছে, সেগুলো কোথা থেকে এসেছে, কারা টাকা দিয়েছে, উৎস কোথায় তা আমরা খুঁজে দেখছি।’

Leave a Reply