স্টাফ রিপোর্টার: বর্তমানে গ্রামটির নাম হয়েছে পাখির গ্রাম। পাখির গ্রামে গেলেই মুগ্ধ হয়ে ওঠেন নওগাঁসহ বিভিন্ন জেলার পর্যটকরা। স্থানীয়রা গ্রামটিকে পাখি শিকারমুক্ত এলাকা ঘোষণা করেছেন।

গ্রামে প্রবেশের সময় দেখা যায়, সরু রাস্তার দুই ধারে থাকা গাছে গাছে লাগানো রয়েছে বিভিন্ন পাখির আদলে সাইনবোর্ড। এতে পাখি শিকার রোধে বিভিন্ন আইন ও সচেতনতামূলক উপদেশ লেখা রয়েছে।

পাখির নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন গ্রামের সবাই। ফলে সারা বছরই সেখানে অসংখ্য পাখির আগমন ঘটে। বিশেষ করে বাচ্চা দেওয়ার মৌসুমে শামুকখোল ও বকের নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই মানুষের সমাগম ঘটে।

পাখিদের বাড়তি নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় পাখিপ্রেমী, সমাজসেবী ও পরিবেশবিদরা সরকারিভাবে অভয়ারণ্য ঘোষণার পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার দাবি করছেন।

আলিদেওনা পাখি সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত নির্মল বর্মন বলেন, ‘প্রকৃতির বন্ধু পাখি। তাদের প্রতি ভালোবাসা থেকেই এ গ্রামে গড়ে উঠেছে পাখির আবাসভূমি। পাখি শিকারীদের গ্রামে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে বা অন্য কোন কারণে পাখিরা আহত হলে চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়। গ্রামটি পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে উঠলে রাজস্ব বাড়বে। সেই সাথে বেকারদেরও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, ‘জেলার আলিদেওনা গ্রামটি ঐতিহ্যবাহী পাখির গ্রাম হিসেবে সারাদেশের মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছে। পাখির অভয়ারণ্যসহ গ্রামটিকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করছি।’

Leave a Reply