চোরাকারবারিদের মধ্যে গোলাগুলিতে দশ মামলার আসামি নিহত

26
দুর্নীতিবাজদের কেনো ক্রসফায়র নয়?

স্টাফ রিপোর্টার, বাঘা: রাজশাহীর বাঘা সীমান্তে চোরাকারবারীদের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ মামলার আসামি জিয়ারুল ইসলাম কালু (৩৯) নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কেশবপুর এলাকার একটি আম বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কালু উপজেলার পাকুড়িয়া এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল মর্গে নেয়া হয়েছে।

নিহত কালুর নামে বাঘা ও চারঘাট থানায় একটি অস্ত্র মামলাসহ ১০ টি চোরাচালান মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিক, গোলাগুলির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত হয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেব, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শকসহ ৯ পুলিশ সদস্য।

তাদের উপজেলা স্বাস্থকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

বাঘা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিন আলী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রাত আড়াইটার দিকে কেশবপুর গ্রামের একটি আম বাগানে চোরাকারবারীদের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ বাধে।

এ খবর পেয়ে রাজশাহী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেবের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য সেখানে পৌঁছান।

চোরাকারবারীদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করেন পুলিশ সদস্যরা। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ও গুলি ছুঁড়ে চোরাকারবারিরা।

এতে তিনিসহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেব, সহকারি পুলিশ সুপার নূরে আলম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক খালেদুর রহমান, জেলা গোয়েন্দা শাখার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস.আই) উৎপল কুমার, এস. আই উসমান গনি এবং বাঘা থানা উপপুলিশ পরিদর্শক রেজাউল করিম এবং বাঘা থানার দু’জন কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম ও মাহাফুজুল আলম আহত হন।

তিনি আরও জানান, এক পর্যায় চোরাকারবারিরা পালিয়ে গেলে আম বাগানে জিয়ারুল ইসলাম ওরফে কালুর গুলিবিদ্ধ অচেতন দেহ উদ্ধার করা হয়।

পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থকেন্দ্রে নেয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

ঘটনাস্থল থেকে এক বস্তা ফেনসিডিল, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধারের কথা জানান ওসি। এনিয়ে আইনত ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি।

আপনার মন্তব্য