স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে আওয়ামী লীগ নেতার চাপাতির কোপ

30
স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে আওয়ামী লীগ নেতার চাপাতির কোপ

বগুড়া: স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে চাপাতি দিয়ে কৃুপিয়ে আহত করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা। প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় এই ঘটনা ঘটে।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জুয়েলকে (৪০) চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছেন স্থানীয় দুই আওয়ামী লীগ নেতা।

বগুড়া পৌরসভার ১৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোরশেদুল আলম হিরু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হায়দার টিক্কা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। 

গুরুতর আহত জিয়াউল হক জুয়েলকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বনানী সুলতানগঞ্জ হাটের একটি চা স্টলের সামনে প্রকাশ্যে এ ঘটনা ঘটে। সবার সামনে জুয়েলকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হলেও তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যাননি কেউ।

আহত জিয়াউল হক জুয়েল বলেন, দুপুর ১২টার দিকে সুলতানগঞ্জ হাটের একটি চায়ের দোকানে চা পান করতে যাই। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হিরু ও টিক্কা দলবল নিয়ে চাপাতি দিয়ে আমাকে কোপাতে শুরু করেন। গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।

তিনি আরও বলেন, সুজাবাদ এলাকায় ইয়ন গ্রুপের কীটনাশক ওষুধ কারখানা থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে প্লাস্টিক বস্তা নিয়ে ব্যবসার করছি আমি। বেশ কিছুদিন ধরে হিরু ও টিক্কা আমার ব্যবসার ভাগ চায়। 

এতে অস্বীকার করলে চাঁদা দাবি করে এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয় তারা। চাঁদা না দেয়ার কারণেই আমাকে কুপিয়েছে তারা। এ ঘটনায় থানায় মামলা করব আমি।

আওয়ামী লীগ নেতা মোরশেদুল আলম হিরু বলেন, কিছুদিন আগে ইয়ন গ্রুপের টেন্ডার নিয়ে জুয়েল দলবল নিয়ে এসে হঠাৎ করে আমাকে মারধর করে। 

ওই ঘটনায় সুলতানগঞ্জ হাটে জুয়েলকে দেখে সেদিনের মারার কারণ জিজ্ঞাসা করলে আবারও জুয়েল আমাকে মারধর করে। এ কারণে তাকে পাল্টা কিলঘুষি মারা হয়েছে। তাকে কোপানো হয়নি।

আপনার মন্তব্য