জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন হবে অঞ্চল ভিত্তিক: জাবি উপাচার্য

676

স্টাফ রিপোর্টার: আগামীতে ডিজিটাল ভিত্তিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ। রোববার সকাল ১১ টায় রাজশাহী কলেজে অনুষ্ঠিত ১৩ টি শতবর্ষী সরকারি কলেজের শিক্ষার উৎকর্ষ সাধন শীর্ষক কর্মশালা শেষে সমাবর্তনের প্রশ্নে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, কেন্দ্র থেকে একই দিনে একযোগে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে অঞ্চল ভিত্তিক এই সমাবর্তন করা হতে পারে। ২০১৭ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন হয়েছে। আগামীতেও সমাবর্তন করা হবে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, রংপুর, সিলেট ও বরিশাল অঞ্চল থেকে কর্যক্রম পরিচালনা করছে। এবং রংপুর, পরিশাল ও চট্রগ্রাম হবে স্থায়ী ক্যাম্পাস। ভবিষ্যতে রাজশাহীতেও স্থায়ী ক্যাম্পাস করা হবে।

কর্মশালা শেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ বলেন, শতবর্ষী এই ১৩টি কলেজকে একটি নেটওয়ার্কের মধ্যে নিয়ে আসতে চাই। এবং তাদের যোগ্যতা এই তারা শতবর্ষী কলোজ। অন্য কলেজগুলো তো আর শতবর্ষী হয়নি; হয়তো বা একদিন হবে। তারাও একদিন এই নেটওয়ার্কের মধ্যে আসবে।

তিনি বলেন, আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই কলেজগুলোর জন্য কী কী করতে পারি তা বের করেছি। আজকের আলোচনা ও চিন্তা-ভাবনাগুলোকে সমন্তিত করে রিপোর্ট আকারে মন্ত্রণালয়ে জমা দিবো। পরে মন্ত্রীর নেতৃতে পর্যলোচনা করে যেগুলো সম্ভাব্য, বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সেগুলো আপনাদের বাস্তাবায়ন করা হবে।

উপস্থিত সকলের পক্ষ থেকে রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে এই কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করেন জাবি উপাচার্য।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোর ইতিহাসে এই ভাবে ১৩টি কলেজের শিক্ষকরা একটা বৈঠকে বসে কর্মশালায় অংশ নেয়া এই প্রথম বলে জানান জাবি উপাচার্য।

রাজশাহী কলেজ মিলনায়েতনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যলয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. ডিপু মনি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা মন্ত্রনালয় মাধ্যমিক ও উ”চ শিক্ষা বোর্ড সিনিয়র সচিব সোহরাব হোসাইন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জাবি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু, জাবি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মশিউর রহমান, জাবি ট্রেজারার প্রফেসর নোমান উর রশীদ প্রমুখ।

কর্মশালায় রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা.হবিবুর রহমানসহ ১৩টি শতবর্ষী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষগণ অংশগ্রহন করেন। শতবর্ষী ১৩ টিকলেজগুলো হলো- রাজশাহী কলেজ, চট্রগ্রাম কলেজ, চট্রগ্রামের হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজ, বরিশালের ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ, পবনার এডওয়ার্ড কলেজ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ, খুলনার ব্রজলাল (বিএল) কলেজ, ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজ, রংপুরের কারমাইকেল কলেজ, বাগেরহাটের প্রফুল্ল চন্দ্র (পিসি) কলেজ ও ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজ।

আপনার মন্তব্য