খোকার মরদেহ দেশে আনতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হচ্ছে

65
'বুলবুল' মোকাবিলা পর্যবেক্ষণে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, প্রয়াত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার মরদেহ দেশে আনতে ‘সর্বাত্মক’ সহযোগিতা দিচ্ছে সরকার।

বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে একথা জানিয়েছেন তিনি।

নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় সোমবার বেলা ১টা ৫০ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন।

সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে তথ্যমন্ত্রী সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকার সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন, আমি তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি তার বিদেহি আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করছি।

গত পাঁচ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন খোকা। এরমধ্যে দুর্নীতির মামলায় তার সাজাও হয়। বিদেশে থাকা অবস্থায় ২০১৭ সালে তার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি আর পাসপোর্ট পাননি বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় খোকা দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে গিয়েছিলেন বলে বিএনপি নেতারা জানান।

খোকার লাশ দেশে আনা নিয়ে কোনো সমস্যা রয়েছে কি না- জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি তো ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন, এজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গতকালই বলা হয়েছিল। তাকে আনার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হচ্ছে ও হবে, সে ঘোষণা তো আগেই দেওয়া হয়েছিল।

ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য ২০১৪ সালের ১৪ মে সপরিবারে নিউইয়র্ক চলে যান সাদেক হোসেন খোকা। তার পর থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে একটি বাসায় দীর্ঘদিন ধরে থাকছিলেন বিএনপির এ নেতা।

হাসপাতালে খোকার পাশে আগে থেকেই আছেন তার স্ত্রী ইসমত হোসেন, মেয়ে সারিকা সাদেক, ছেলে ইশফাক হোসেন। বাবার সংকটাপন্ন অবস্থার খবর পেয়ে ঢাকা থেকে তার বড় ছেলে ইশরাক হোসেনও নিউইয়র্কে ছুটে যান।

২০০২ সালের ২৫ এপ্রিল অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন খোকা। ২৯ নভেম্বর ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ১০ বছর বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শাসনামলে ঢাকা মহানগরের মেয়র ছিলেন তিনি।

আপনার মন্তব্য