জঙ্গিবাদ দমনে দৃঢ় অবস্থানে পুলিশ 

7
এক আসামির খালাসের বিরুদ্ধে আপীল হবে

জাতীয় ডেস্ক: পুলিশের মহা-পরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে দৃঢ় অবস্থানে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পঞ্চবটিতে জেলা পুলিশের নতুন ব্যারাক ও কমিউনিটি ব্যাংকের শাখাসহ আটটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের প্রথম প্রহর থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি ক্রান্তিকালে বাংলাদেশ পুলিশ প্রথম সারির যোদ্ধা হয়ে দেশপ্রেমিক হিসেবে নিজেদের প্রমাণিত করেছে। এছাড়া, ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ দৃঢ় অবস্থান রেখেছে।

আইজিপি বলেন, স্পেশাল ব্রাঞ্চের সাথে নিশ্চয় আপনারা পরিচিত হয়েছেন? সেখানেও দেখবেন বাংলাদেশ পুলিশের অবদান বঙ্গবন্ধুর সাথে। 

বঙ্গবন্ধুকে আমাদের বাংলাদেশ পুলিশের পূর্বে যারা ছিলেন তারা কিভাবে অনুসরণ করতো এটি তার অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বই) এসেছে। 

এসময় গত দুই বছরে ৯৯৯ এর মাধ্যমে ৫৮ লাখ মানুষকে সেবা প্রদান করা হয়েছে বলেও জানান আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

তিনি বলেন, বর্তমানে একশটি কল সেন্টারের মাধ্যমে সারা দেশের জনগণকে ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করছে। অচিরেই সেবার মান বাড়াতে ৫০০ কল সেন্টার স্থাপন করার কাজ চলমান আছে।

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পুলিশের উদ্যোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, আসলে আমরা মনে করি পুলিশ আপনাদের জন্যই। 

আমরা জনগণের পুলিশ,আমাদের ব্যাংকটিও জনগণের জন্য। মাত্র দু’মাস আগেই আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই কমিউনিটি ব্যাংকটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেছিলেন।

 আমরা আরও আট-দশটি ব্যাংকের মতো আসিনি; আমরা এসেছি স্বতন্ত্রভাবে। যেটিকে আপনারা সকলেই মনে রাখবেন। আমরা কেন পঞ্চবটিতে এই ব্যাংক করেছি এটি আপনাদের কথায় উঠে এসেছে। 

আসলে আমরা আপনাদের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যেতে চাই। হয়তো আগামী বছরই এই কমিউনিটি ব্যাংক ৬৪টি জেলায় পৌঁছে যাবে। 

স্বাভাবিকভাবেই আপনাদের অর্থের নিরাপত্তা ও সম্পদের নিরাপত্তার জন্য আপনারা যেমন পুলিশের উপর নির্ভর করেন, ঠিক তেমনিই এগুলোর নিরাপত্তা দেওয়াটা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।

আইজিপি বলেন, একটি দেশ যখন এগিয়ে যায় তখন উন্নয়নের সাথে সাথে কিছু কিছু বিষয় চলে আসে। আপনারা দেখেছেন অতীতে আমরা সন্ত্রাসকে যেভাবে রুখে দিয়েছি, জঙ্গিবাদকে রুখে দিয়েছি তেমনিভাবে এখন আমরা যুদ্ধ করছি মাদকের বিরুদ্ধে।

এই মুহূর্তে মাদক আমাদের সমাজের জন্য একটি বিষফোঁড়া হয়ে আছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, মাদক থেকে আমি যদি আমার পরবর্তী প্রজন্মকে মুক্ত না করতে পারি তাহলে আজকের যেই যুবসমাজ এরা মাদকে আকৃষ্ট হয়ে মাদকে আক্রান্ত হবে। 

একজন মাদকাসক্ত শুধু তার পরিবার কিংবা সমাজের জন্য বোঝা নয় সে পুরো দেশের জন্যই বোঝা। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই মাদকের বিরুদ্ধে যেভাবে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন, সেভাবেই কঠোর হবো। 

আমরা মনে করি যারা মাদকাসক্ত হয়েছে তাদের স্বাভাবিক জীবনে নিয়ে আসাটা আমাদের সকলেরই কর্তব্য।

আপনার মন্তব্য