প্রাণী উদ্ধারে ‘রবিনহুড’দের সহযোগিতা করবে ৯৯৯

10
প্রাণী উদ্ধারে ‘রবিনহুড’দের সহযোগিতা করবে ৯৯৯

জাতীয় ডেস্ক: প্রাণী উদ্ধারে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘রবিনহুড দি অ্যানিমেল রেসকিউয়ার’ সংগঠনের সদস্যদের সহযোগিতা করবে জাতীয় জরুরি সেবা হটলাইন নাম্বার ‘৯৯৯’।

রাজধানীর উঁচু ভবন, গাছ বা গর্তসহ যেকোনও জায়গায় প্রাণী আটকে গেলে, সেখান থেকেই তা উদ্ধারে ছুঁটে আসে সংগঠন ‘রবিনহুড দি অ্যানিমেল রেসকিউয়ার’।

গত ২৭ নভেম্বর রাজধানীর ৯৯৯-এর সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় এ সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়। সভায় কীভাবে ৯৯৯ প্রাণীদের উদ্ধারে সাহায্য করতে পারে, সে ব্যাপারে আলোচনা হয়।

সরকারি এ জরুরি সেবার পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রাণী উদ্ধারে ‘রবিনহুড দি অ্যানিমেল রেসকিউয়ার’ সংগঠনকে সহায়তার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। তাদের বলেছি, ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে কেউ যদি প্রাণী উদ্ধারের খবর আমাদের কাছে পৌঁছে দেয়, তখন আমরা ওই সংগঠনের ফোন নম্বর দিয়ে অথবা তাদের ফেসবুক গ্রুপে প্রাণী উদ্ধারের খবরটি জানিয়ে দেব।

তারপর ওই সংগঠনের সদস্যরাই গিয়ে প্রাণীটি উদ্ধার করবেন। আর এক্ষেত্রে আমরা বলে দিয়েছি, ৯৯৯-এর মাধ্যমে তারা যদি প্রাণী উদ্ধার করেন, সে ক্ষেত্রে কারও কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নিতে পারবেন না।

৯৯৯-এর পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল বলেন, এটা আমাদের সরকারি সংস্থা। ৯৯৯-এর সঙ্গে ‘রবিনহুড দি অ্যানিমেল রেসকিউয়ার’ সংগঠনটির কোনো লিখিত চুক্তি হয়নি।

প্রাণী উদ্ধারের ক্ষেত্রে তাদের কোনো ঝুঁকির ক্ষেত্রে আমরা দায়বদ্ধ নই। তবে আমরা প্রাণী উদ্ধারে তাদেরকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছি। আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে প্রাণী উদ্ধারে এ সাহায্য শুরু হবে বলে তিনি জানান।

রবিনহুডের প্রতিষ্ঠাতা আফজাল খান বলেন, প্রায় প্রতিদিনই ঢাকা মহানগরের ভেতর প্রাণী উদ্ধারে আমাদের ব্যস্ত থাকতে হয়।এক্ষেত্রে ৯৯৯-এর সহযোগিতার আশ্বাসে আমাদের কাজের পরিধি ও ব্যস্ততা আরও বাড়বে।

আফজাল আরও বলেন, প্রাণীদের উদ্ধারে ঢাকার এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে আমাদের প্রতিদিনই বেশ খরচ হয়। সব সদস্যদের যাতায়াত, খাওয়া-দাওয়া ও উদ্ধারের সরঞ্জামসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের খরচ হয়।

আমরা অল্প কিছু মানুষের কাছ থেকে সহযোগিতা পেলেও তা যথেষ্ট নয়। আমরা সব সময় প্রাণীদের উদ্ধারে এগিয়ে আসি। এক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতায় প্রাণীপ্রেমীরাও যদি এগিয়ে আসেন, তাহলে আমাদের কাজ আরও সহজ হয়।

তিনি জানান, তাদের সংগঠনের সদস্যদের যেহেতু সাপ অথবা বিষাক্ত প্রাণীদের উদ্ধারের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ নেই, তাই তারা নিরাপত্তার কারণে সাপ উদ্ধার করতে পারবেন না। এছাড়া কুকুর, বিড়াল, পাখি, বানরসহ যেকোনো প্রাণীদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে তারা।

আপনার মন্তব্য