যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড কি-না, যেকোনও দিন রায়

11
বিচারকদের ফেসবুক ব্যবহারে বিধি-নিষেধ আরোপ সুপ্রীম কোর্টের

জাতীয় ডেস্ক: যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড– এ প্রশ্নে আপিল বিভাগের বিরুদ্ধে করা রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের শুনানি শেষে মামলাটি যেকোনও দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি)রাখা হয়েছে।

বৃহ্স্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও ব্যারিস্টার শিশির মনির।

এর আগে ‘যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস’ হবে কি-না সে বিষয়ে আইনগত পরামর্শ তুলে ধরতে চার সিনিয়র আইনজীবীকে অ্যামিকাস কিউরি (আদালত বন্ধু) হিসেবে নিয়োগ দেন আদালত।

গত এপ্রিলে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন– ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, এ এফ হাসান আরিফ, মুনসুরুল হক চৌধুরী ও আবদুর রেজাক খান।

২০০৩ সালের ১৫ অক্টোবর একটি হত্যা মামলায় দুই আসামি আতাউর মৃধা ওরফে আতাউর ও আনোয়ার হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

এরপর ওই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) শুনানির জন্য হাইকোর্টে আসে। এসব আবেদনের শুনানি নিয়ে ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টের রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়।

হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল বিভাগে আপিল আবেদন করেন। ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে আদালত যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাসসহ সাত দফা অভিমত দেন। এরপর আপিলের ওই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন আসামিরা।

আপনার মন্তব্য