রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে চাপে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র

6

জাতীয় ডেস্ক:  বাংলাদেশ আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে অব্যহত চাপে রেখেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার শনিবার এই মন্তব্য করেন।

এদিন সকালে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার অস্টমীর চরে নটারকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন মিলার। পরে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। 

মিলার বলেন, সকল রোহিঙ্গার স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসন চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ জন্যই তারা মিয়ানমারের ওপর ক্রমাগত চাপ অব্যাহত রেখেছেন।

 এরই অংশ হিসেবে মিয়ানমারের সেনা প্রধানসহ তাদের নিরাপত্তা বাহিনীর অনেকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি। তাদের ওপর চাপ অব্যাহত রয়েছে।

 রোহিঙ্গাদের সাহায্যের জন্য বাংলাদেশের পাশে সবসময় যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। একই সাথে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত। 

রাষ্ট্রদূত বলেন, বন্যা মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের চলমান প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করতে যুক্তরাষ্ট্র বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য এক লাখ ডলার প্রদান করছে। 

কেয়ার বাংলাদেশ কর্তৃক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত কর্মসূচির আওতায় জেলার এক হাজার ২০০ পরিবারের প্রায় ৫ হাজার মানুষকে নগদ অর্থ এবং খাদ্যবহির্ভূত বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হবে।

চিলমারীর নটারকান্দি হাইস্কুল মাঠে ত্রাণ বিতরণের আগে চরাঞ্চলের বিভিন্ন বাড়ী ঘুরে সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

 এ সময় তিনি বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ প্রচেষ্টার পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন।

এ সময় এই চরাঞ্চলের শতাধিক পরিবারকে নগদ ৪ হাজার ৫০০ টাকা, গৃহস্থালি সামগ্রী এবং মহিলা ও কিশোরী মেয়েদের স্বাস্থ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। 

এখানে ১০টি প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে নগদ সাড়ে ৫ হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন, পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান, ইউএসএইড বাংলাদেশের মিশন পরিচালক ডেরিক ব্রাউন, কেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডাইরেক্টর জিয়া চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান শওকত আলী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. শামসুজ্জোহা, সলিডারিটির নির্বাহী পরিচালক হারুন অর রশীদ লাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য