গোপনে ঈদের কেনাকাটা করলেই জরিমানা

10

স্টাফ রিপোর্টার: প্রাণঘাতি করোনার বিস্তার ঠেকাতে বন্ধ রয়েছে রাজশাহীর সবধরণের বিপণী-বিতান। তবুও কৌশলে লোকজন আসছেন ঈদের কেনাকাটা করতে। 

দোকানীরাও ওঁৎ পেতে থাকছেন দোকানের আশেপাশে। বাধার দেয়াল ডিঙিয়ে ক্রেতারা এলেই নানান কায়দায় পণ্য বিক্রি করছেন। 

তবে লুকিয়ে-চুরিয়ে ঈদের কেনাকাট করেও রেহায় নেই। নগরীর সাহেববাজার এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পাকড়াও করে এমনই কয়েকজন ক্রেতাকে জরিমানা করেছেন শুক্রবার। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত আমান আজিজ এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

 হাতে শপিং ব্যাগ দেখে সকালে সাহেববাজার এলাকায় এক তরুণের পথ আটকায় পুলিশ। এ সময় তার ব্যাগে পাওয়া যায় একটি নতুন প্যান্ট। 

ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত আমান ওই তরুণের কাছে জানতে চান কোন দোকান থেকে কিনে আনলেন। কিন্তু ওই তরুণ বলেন, স্যার, দোকানটা বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি ঠিকানা জানাতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। তাই তাকে ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। 

একই সময় সাহেববাজার এলাকায় দুই নারীকে হেঁটে যেতে দেখে তাদের আটকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত আমানের কাছে স্বীকার করেন তারা ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছেন। কিন্তু এটি তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপারে বলে মন্তব্য করেন।

তখন ম্যাজিস্ট্রেট তাদের ৩০০ করে ৬০০ টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া সাহেববাজার ওভারব্রিজ সংলগ্ন একটি কাপড়ের দোকান থেকে পোশাক বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক ব্যবসায়ীকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। 

গত মঙ্গলবার থেকেই সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে নগরীতে ফের অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরাও সেদিন থেকেই মাঠে। বিনাপ্রয়োজনে ঘোরাফেরা করলে জরিমানার পাশাপাশি পড়তে হচ্ছে লঘুদণ্ডের কবলে।

আপনার মন্তব্য