তরুণীর সাথে অন্তরঙ্গ ভিডিও করে চাঁদাবাজিতে কিশোর গ্যাং

123

স্টাফ রিপোর্টার: তুলে নিয়ে গিয়ে দলের তরুণীর সাথে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে চাঁদাবাজি করে আসছিলো রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার একটি কিশোর গ্যাং। 

অভিযান চালিয়ে এই গ্যাং এর তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পুঠিয়া উপজেলার পালোপাড়া গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেল রাকিবুল হাসান রকি (১৮), বাড়ইপাড়া গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে আমিনুল ইসলাম তন্ময় (১৮), সরদারপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে এসএম হাসিবুল হাসান (১৮)।

দুপুরের দিকে গ্রেফতারকৃতদের জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়।

তুলে নিয়ে গিয়ে দলের তরুণীর সাথে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে চাঁদাবাজি করে আসছিলো রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার একটি কিশোর গ্যাং।     অভিযান চালিয়ে এই গ্যাং এর তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পুঠিয়া উপজেলার পালোপাড়া গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেল রাকিবুল হাসান রকি (১৮), বাড়ইপাড়া গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে আমিনুল ইসলাম তন্ময় (১৮), সরদারপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে এসএম হাসিবুল হাসান (১৮)।    দুপুরের দিকে গ্রেফতারকৃতদের জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়।    এসময় জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ বলেন,  শনিবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে শামীম ও বাবু নামের দুই বন্ধু উপজেলা গাওপাড়া ঢালানের একটি কালভার্টে বসে গল্প করছিলেন।     এসময় রকি, তন্ময়, হাসিবুলসহ আরও কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হয়ে শামীম ও বাবুকে এলোপাথাড়ি ভাবে মারধর করে।    এরপর শামীমকে পাশের একটি পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ঘরে ঢুকিয়ে জোরপূর্বক এক তরুণীর সাথে ভিডিও ধারণ করে অভিযুক্তরা।    পরে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে শামীমর কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। কৌশলে তাদের হাত থেকে পালিয়ে এসে থানায় অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী। অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্তদের ধরতে অভিযানে নামে পুলিশ।     পুলিশ সুপার আরো বলেন, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরেই এমন অপকর্ম করে আছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও বিষয়টি স্বীকার করেছেন তারা। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নিয়েছে পুঠিয়া থানা পুলিশ।

এসময় জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ বলেন,  শনিবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে শামীম ও বাবু নামের দুই বন্ধু উপজেলা গাওপাড়া ঢালানের একটি কালভার্টে বসে গল্প করছিলেন। 

এসময় রকি, তন্ময়, হাসিবুলসহ আরও কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হয়ে শামীম ও বাবুকে এলোপাথাড়ি ভাবে মারধর করে।

এরপর শামীমকে পাশের একটি পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ঘরে ঢুকিয়ে জোরপূর্বক এক তরুণীর সাথে ভিডিও ধারণ করে অভিযুক্তরা।

পরে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে শামীমর কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। কৌশলে তাদের হাত থেকে পালিয়ে এসে থানায় অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী। অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্তদের ধরতে অভিযানে নামে পুলিশ।

 পুলিশ সুপার আরো বলেন, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরেই এমন অপকর্ম করে আছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও বিষয়টি স্বীকার করেছেন তারা। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নিয়েছে পুঠিয়া থানা পুলিশ।

আপনার মন্তব্য