পদ্মার চরে সবুজের হাতছানি

56
পদ্মার চরে সবুজের হাতছানি

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী নগরীর বিনোদনের কেন্দ্র পদ্মার পাড়। বিকেলে হলেই দেখা যায় বিনোদন প্রেমীদের ভিড়। এখানে অনেকেই আসেন সময় কাটাতে। কেউবা আসেন পরিবার-পরিজন নিয়ে। আবার কেউবা আসেন বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে। বর্ষা মৌসুমে পদ্মার এক রুপ আর শুষ্ক মৌসুমে পদ্মার আরেক রুপ দেখা যায়।

এর আগে পদ্মার পাড় ছিল সাদা কাশঁ বনে ঢাকা। আর এখন পদ্মার পাড় সবুজে ছেঁয়ে গেছে। প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য যেন চারিদিকে খেলা করছে। সবুজের সমারোহ এই পদ্মার পাড় এখন সৌন্দর্য্যের প্রতীক হয়ে দাড়িয়েছে।

পদ্মার পাড়ে ঘুরতে আসা নিউ গভ: ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী মোখলেছার রহমান জানান,প্রায় প্রতিদিন বিকেলে আসি পদ্মার পাড়ে ঘুরতে। নিজেকে রিফ্রেস করার জন্য আমরা এখানে আড্ডা দিই। তাছাড়া এর আগে সাদা কাঁশবনে ঢাকা ছিল পদ্মার পাড়। তখনো ভালো লাগতো কিন্তু এখন চারিদিকে সবুজের ঢেঁকে যাওয়ায় এখাকার পরিবেশ আরো মনোমুগ্ধর হয়ে উঠেছে।

নওগাঁর আরেক দর্শনার্থী আলম হোসেন জানান, আমরা দেখেছি বর্ষা মৌসুমে পদ্মা পানিতে টইটম্বুর থাকে। আর শুষ্ক মৌসুমে শুধুই ধূ-ধূ বালুচর। তবে পদ্মার জেগে ওঠা চর এবার আশার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। চরের বুকে দেখা দিয়েছে সবুজের সমরোহ। শস্য-শ্যামলে পরিপূর্ণতা পেয়েছে পদ্মার পাড়।

স্থানীয়রা জানান, বিকেল হলেই পদ্মার পাড়ে দেখা যায় বিনোদন প্রেমীদের ভিড়। তবে সরকারী ছুটির দিনে বেশ ভিড় লক্ষ্য করা যায়। শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও সরকারী চাকুরী জীবিরাও আসেন বেড়াতে।

পদ্মা পাড়ের সাধারন মানুষদের জীবন-যাপন যেন একই সুতোয় গাাঁথা। অনেকেরই ধারনা পদ্মার পাড় বলতে শুধু বিনোদনের কেন্দ্র বুঝি। তবে এখন চাষাবাদ পদ্মা পাড়ের লোকজনদের জীবিকা নির্বাহের মুল উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,পদ্মার ধু-ধু বালুচরে এখন কেবলই সবুজের সমারোহ। রাজশাহীর লালনশাহ্ মুক্তমঞ্চের নিচ থেকে শুরু করে পশ্চিমে টি-বাঁধ এলাকা পর্যন্ত শত শত হেক্টর জমিতে এবার ডাল ফসল মশুর সহ বিভিন্ন ধরনের ফসল ফলানো হয়েছে। যেদিকে যতদুর চোখ যায় চারিদিকে কেবল সবুজ আর সবুজ। মরা পদ্মার বুক চিরে যেন ফল ও ফসলের বিপ্লব ঘটেছে।

আপনার মন্তব্য