কিভাবে করাবেন বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন?

198

তথ্যযোগ ডেস্ক: শিশুর জন্মের পর তার নাম সরকারি খাতায় লেখানোটাই জন্মনিবন্ধন। এটি শিশুর নাম ও জাতীয়তা নিশ্চিত করার প্রথম ধাপ।

আইন অনুযায়ী, শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন বাধ্যতামূলক। তবে নির্ধারিত ফি দিয়েও পরে এই নিবন্ধন করা হয়।

জন্মনিবন্ধন কোথায় করবেন?

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন এবং সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ওয়ার্ড কমিশনারের কার্যালয় থেকে জন্মনিবন্ধন করা যায়।

কোন কাগজগুলি লাগবে:

১. পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

২. জন্মতারিখ প্রমাণের কাগজ যেমন- টিকার কার্ড/হাসপাতাল সনদ/ছাড়পত্র/স্কুল সার্টিফিকেট/পাসপোর্ট/ভোটার আইডি কার্ড/কাবিননামা এবং বাবা-মার ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি। জন্ম নিবন্ধনের আবেদনপত্র ইংরেজি ও বাংলায় করতে পারবেন।

ফি কত লাগবে

১. জন্মের ৪৫ দিন পর্যন্ত কোনো ফি লাগবে না।

২. জন্মের ৪৫ দিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত ২৫ টাকা+১৫% ভ্যাট লাগবে।

৩.জন্মের পাঁচ বছর পরে ৫০ টাকা+১৫% ভ্যাট লাগবে।

৪.জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য আবেদন ফি ১০০ টাকা+১৫% ভ্যাট লাগবে।

৫. জন্মতারিখ ছাড়া নাম, বাবার নাম, মার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন ফি ৫০ টাকা+১৫% ভ্যাট লাগবে।

৬. বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় তথ্য সংশোধনের পর সনদের কপি সরবরাহ করার জন্য কোনো ফি লাগে না।

৭. বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় নকল সরবরাহ করতে ৫০ টাকা+১৫% ভ্যাট লাগবে।

কীভাবে জন্মনিবন্ধন করতে হয়

জন্ম নিবন্ধনের নির্ধারিত আবেদন ফরমে আবেদন করতে হবে। এ ছাড়া br.lgd.gov.bd ওয়েবসাইট থেকেও অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করা যায়। অনলাইনের আবেদন ফরমটি প্রিন্ট করে ওই কার্যালয়ে জমা দিতে হয়।

পাঁচ বছরের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করতে তথ্য সংগ্রহকারীর প্রত্যয়ন অথবা শিশুকে টিকা দেওয়ার সময় দেওয়া ইপিআই কার্ডের সত্যায়িত অনুলিপি অথবা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র বা ওই প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া জন্মসংক্রান্ত সনদের সত্যায়িত অনুলিপি প্রয়োজন।

এ ছাড়া পাঁচ বছর পরে নিবন্ধন করতে হলে বয়স প্রমাণ, স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা, দলিল লাগবে। বয়স ও জন্মস্থান প্রমাণের জন্য ইপিআই কার্ড (টিকাদান কার্ড) বা পাসপোর্ট বা মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা কোন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের জন্মসংক্রান্ত ছাড়পত্র বা ওই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত জন্মসংক্রান্ত সনদের সত্যায়িত অনুলিপি লাগবে।

আপনার মন্তব্য