তরুণদের অসামাজিক করছে সোশ্যাল মিডিয়া?

30
তরুণদের অসামাজিক করছে সোশ্যাল মিডিয়া?

তারুণ্য ডেস্ক: তরুণদের অসামাজিক করছে সোশ্যাল মিডিয়া? এমন প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। 

কারণ-বর্তমানে খুব কম বয়সেই সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলেন বেশির ভাগ তরুণ। তাদের স্কুলের বাইরেও ভার্চুয়াল জগতে হাজার হাজার বন্ধু হয়ে যায়। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় কার কত বেশি বন্ধু, কার ফলোয়ার বেশি বা কার পোস্টে কত লাইক এই সব নিয়ে চলে নানা প্রতিযোগিতা।

অনেকেই রাত জেগে সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকে ফলে পড়াশোনায় অমনোযোগ, ঘুম নষ্ট, খিটখিটে মেজাজ, বাবা-মায়ের সঙ্গে তর্ক করার প্রবণতা, কারো সাথে কথা না বলা বা অসামাজিক হওয়ায় প্রবণতা দেখা দেয়।

রক্ষার উপায় কী?

সন্তানের হাতে স্মার্ট ফোনের বদলে সাধারণ ফোন দিন। নয়তো ফোনে ইন্টারনেট কানেকশন দেবেন না। এতেও না হলে ডেটা প্যাকের নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দিন। 

ইউটিউবের কনটেন্টেও বিধিনিষেধ আরোপ করুন। বাবা-মায়েদের চেয়ে স্মার্ট ফোন সম্পর্কে তারা বেশি জানে। সুতরাং আপনাকেও অনেক সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে।

নিজেরা সন্তানদের সঙ্গে বেশি সময় কাটান। একসঙ্গে সিনেমা হলে যান, কফিশপে গিয়ে আড্ডা দিন। ক্যারিয়ার তৈরির জন্য এই বয়সটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওদের কেরিয়ার গড়ার দিকে আগ্রহী করে তুলুন। সন্তানকে সাহায্য করুন।

বন্ধুদের বাড়িতে এনে গল্পগুজব করতে বলুন। বই, খবরের কাগজ পড়ায় উৎসাহ দিন। ব্যাডমিন্টন, টেনিস, ক্রিকেট, সাঁতার ইত্যাদির প্রতি উৎসাহ বাড়াতে পারেন। 

এগুলো সন্তানকে মোবাইল থেকে বিরত রাখতে সাহায্য করবে এবং অনেক খানি সামাজিকও করে তুলতে সাহায্য করবে।

সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে, একদম ছোট বাচ্চারাও মোবাইলে আসক্ত হয়ে পড়ে। ফলে তারা কথা কম বলছে, চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলছে না। অনেক সময়ে তারা কথা শিখতেও সময় নিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, মোবাইল হাতে ধরিয়ে খাওয়াবেন না। নিজের ব্যস্ত সময়ে ওদের হাতে মোবাইল তুলে দেবেন না। টিনএজে গিয়ে কোনো কিছু বদলানো অনেকটা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই একদম ছোট বয়স থেকেই গুরত্ব দিন।

আপনার মন্তব্য